তালাকের ব্যাপরে আল-কোরআনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে সুরা নেসাতে- সুতরাং কোন বিতর্কে না গিয়ে কোরআনিক ভাবে তার সমাধান হবে ।অনুরোধ করব নিবন্ধের লিখক ও পাঠক বৃন্দকে সুরা নেসার তরজমা পড়ার জন্য । এখানে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উল্লেখযোগ্য নয় । তিন তালাক এবং হিলা বিয়ে এটা সমসাময়িক সমাজপতিদের দ্বারা তৈরী ।এই নিবন্ধের লিখক সুরা বাকারা আয়াত ২৩২: এর মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছেন ইসলামে হিলা বিয়ে নেই ।“ সুরা বাকারা আয়াত ২৩২: “যখন তোমরা স্ত্রীদিগকে তালাক দাও ও তাহারা নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ণ করে, তখন পারস্পরিক equitable (সাম্য, সমঝোতা, যৌক্তিক….)-র ভিত্তিতে তাহাদের (পূর্বের) স্বামীর সহিত বিবাহে বাধা দিও না” “
সুরা বাকরার ২৩২ এর ব্যাক্ষা সুরা নেসার ভিতর পাবেন কিভাবে তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীকে দ্বিতীয় বার বিয়ে করতে হয় । তবে অব্শ্যই হিলা নামক জঘন্য পন্থার মাধ্যমে নয় । হিলা তৈরী করেছ সমাজপতিরা তবে সাহায্য নিয়েছে লেবাসধারী আলেমদের ।
সম্প্রতি ভারত সরকার তিন তালাক প্রথার সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সেটাকে সাধুবাদ জানাই তবে সেটা যেন হয় সুরা নিসার আলোকে হয়, কোন অনৈসলামিক পন্থায় নয় । যেমন আইয়ুবের ইসলামিক পারিবারিক আইনে বিয়ে করার সময়ই (বিয়ে রেজি: ১৮ নং ক্লজ) আমরা নারীকে ডিভোর্স দেয়া অধিকার দিয়ে দেই ।যদিও পুরুষ/বরদের এই ১৮নং ক্লজ এ স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক নয় তবুও এনজিওদের চাপে(যারা আমাদের মুসলিম পারিবারিক ব্যবস্থা ভাংতে চায়) কাজী সাহেবরা বাধ্যতামূলকভাবে রবের থেকে স্বাক্ষর নেন অথবা কাজী সাহেবরা চাকুরী বাচানোর জন্য নিজেরা স্বাক্ষর করে দেন । বর্তমান সময়ে মুসলিম পারিবারিক জীবনে এটাও একটা অশান্তির কারন ।ইসলামে নারীকে সরাসরি তালাক/ডিভোর্স দেয়ার অধিকার দেইনি তবে তারা শালিস বা পারিবারিক নিস্পত্তির মাধ্যমে তালাক/ডিভোর্স দেয়ার অধিকার রাখে । পৃথিবীতে যতগুলি ধর্ম আছে তার মধ্যে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যে নারীকে তালাক/ডিভোর্স দেয়ার অধিকার দিয়েছে ।এই ব্যাপারে পাঠক এবং নিবন্ধের লিখককে অনুরোধ করব মরহূম বিচারপতি গাজী শামছুর রহমানের “নারী“ নামক বইটি পড়ার জন্য ।
Rate This Article
Thanks for reading: হিলা বিয়া অনৈসলামিক, একে প্রতিহত করা সকল মুমিনদের দায়িত্ব ।, Sorry, my English is bad:)